Category: অজু/গোসল

ফরজ গোসল সহিহ হওযার জন্য কুলি করা, নাকে পানি দেয়া ও সমস্ত শরীর ভালভাবে ধৌত করা জরুরী। সূতরাং প্রশ্ন বর্ণিত সূরতে ফরজ গোসলের দুই রুকন তথা কুলি ও নাকে পানি দেয়া পাওয়া যাওয়ায় পরবর্তীতে যুক্ত হওয়া হদস এতে কোন প্রকার প্রভাব ফেলবে না। বরং তিনি পবিত্র সা...

উত্তর : এক্ষেত্রে লোকটিকে পুরো কাপড়ই ধুতে হবে। কাপড়ের অংশ বিশেষ ধুয়ে নিলে পবিত্র হবে না। হাঁ, নাপাকি কোন স্থানে লেগেছে তা জানা থাকলে শুধু ঐ স্থান ধুয়ে নিলেই কাপড় পবিত্র হয়ে যাবে। পুরো কাপড় ধুতে হবে না।     -...

উত্তর : এক্ষেত্রে শুধু নাকে পানি দিয়ে নিলেই গোসল সম্পন্ন হয়ে যেত। পুনরায় গোসল করার দরকার ছিল না। তবে গোসল করে পুনরায় নামায পড়ার দ্বারা তা আদায় হয়ে গেছে।     -কিতাবুল আছার, হাদীস ৫৯; কিতাবুল আছল ১/৩২; মাবসূত,...

উত্তর : প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে আপনার আংটি দুটি যদি এত ঢিলেঢালা হয় যে, খোলা বা নাড়াচাড়া করা ছাড়াই উভয় আংটির স্থান ভিজে যায় তাহলে অযু হয়ে গেছে। আর যদি কোনো এক আংটি বা উভয়টি এত সংকীর্ণ হয় যে, নাড়াচাড়া করা ছাড়া পানি ভেতরে যায় ন...

উত্তর : হাঁ, বালতির ঐ জমা পানি দিয়ে কাপড় পবিত্র করা যাবে। কারণ অযুর ব্যবহৃত পানি দ্বারা নাপাকি দূর করা জায়েয। কিন্তু এ পানি দ্বারা অযু-গোসল করা জায়েয নয়।     -ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/৪১; আলবাহরুর রায়েক ১/৯৬; মার...

উত্তর : প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে আপনাদের অবস্থানের জায়গা থেকে যেহেতু পানি দূরে ছিল এবং আপনাদের কাছেও পর্যাপ্ত পানি ছিল না তাই এক্ষেত্রে ফরয গোসলের পরিবর্তে তায়াম্মুম করাই নিয়ম। অযু করার প্রয়োজন ছিল না। তাই তায়াম্মুম করে নামায আদায় ক...

উত্তর : প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে লোকটি নামায ছেড়ে দিবে। অতপর নতুন পানি দ্বারা হাত ভিজিয়ে শুধু মাসাহ করে নিবে। এরপর নামাযে শরিক হবে। দাঁড়ি বা অন্য কোনো অঙ্গ ভিজা থাকলেও তা দ্বারা হাত ভিজিয়ে মাসাহ করলে মাসাহ সহীহ হবে না। উল্লেখ্য অযু কর...

উত্তর : গোসলের সময় শরীর থেকে পানি গড়িয়ে বালতিতে পড়লে বালতির পানি নাপাক হবে না। এক বর্ণনায় এসছে, عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، فِي الرَّجُلِ يَغْتَسِلُ مِنَ الْجَنَابَةِ فَيَنْضَحُ فِي إِنَائِهِ مِنْ غُسْلِهِ، فَقَالَ: لَا بَأْسَ بِهِ ...

উত্তর : আপনার ভাইয়ের অযু হয়নি। কেননা অযুতে ব্যবহৃত পানি দ্বারা পুনরায় অযু করা যায় না। সুতরাং তার অযু যেহেতু হয়নি তাই ঐ অযু দ্বারা যে নামায পড়েছে তাও আদায় হয়নি। পুনরায় তা পড়ে নিতে হবে।     -কিতাবুল আছল ১/২...

উত্তর : প্রশ্নোক্ত কারণে গোসল ফরয হবে না। বরং অযু করলেই চলবে। আর তা কাপড়ে লাগলে কাপড় নাপাক হয়ে যাবে।     -বাদায়েউস সানায়ে, ১/১৪৯; ফাতাওয়া খানিয়া ১/৪৩ আদ্দুররুল মুখতার ১/১৬৫, ৩১৮...

উত্তর  :  প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে ঘুমে স্বপ্নদোষ হয়েছে দেখে থাকলেও ওঠার পর শরীরে বা কাপড়ে যেহেতু সে কোনো ভেজা বা নাপাকির দাগ দেখতে পায়নি তাই তার উপর গোসল ফরয হয়নি। শুধু স্বপ্নের কারণে তাকে গোসল করতে হবে না।  ...

উত্তর  :  প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে আপনি যেহেতু রক্ত লাগার পর কাপড়টি ভালোভাবে ধুয়ে নিয়েছেন এবং রক্ত দূর হয়ে গেছে। তাই এরপর রক্তের দাগ থেকে গেলেও সমস্যা নেই। তা পাক হয়ে গেছে। এ জামা পরে যে নামাযগুলো পড়েছেন তাও আদায় হ...

উত্তর  :  মাসাহ করার সঠিক পদ্ধতি হল, উভয় হাতের আঙ্গুলসমূহ এবং তালু মাথার অগ্রভাগে রেখে মাথার শেষ পর্যন্ত টেনে নেওয়া। এরপর উভয় হাত পুনরায় পেছন থেকে সামনের দিকে টেনে আনা। আবদুল্লাহ ইবনে যায়েদ রা. হতে বর্ণিত আছে, ...

উত্তর :  যেহেতু নাপাকির রং, গন্ধ ইত্যাদি কোনো আলামতই এক্ষেত্রে প্রকাশ হয় না তাই তার উপর নামায পড়া জায়েয।     ফাতাওয়া তাতারখানিয়া ২/৩২; আলমুহীতুল বুরহানী ২/২০; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ১/৬২, -শরহুল ম...

উত্তর : আপনি যে পানি দিয়ে অযু করার কথা উল্লেখ করেছেন তা মায়ে মুসতামাল অর্থাৎ ব্যবহৃত পানি। ব্যবহৃত পানি দিয়ে অযু করলে বা অযুর কোনো অঙ্গ ধৌত করলে অযু শুদ্ধ হবে না। অতএব, আপনি সেই পানি দিয়ে পা ধৌত করতে পারবেন না। ধৌত ক...