কাদিয়ানীরা কেন কাফের? (পর্ব দুই)

Shortlink:

পৃথিবীর সকল ধর্মের কিছু Principle Belives রয়েছে,
এসব মৌলিক বিষয় থেকে কোন একটিকে অস্বীকার করলে তাকে সে ধর্মের বলে স্বীকার করা হয় না। এটা যে কোন সুস্থ্য বিবেকবান বলতেই জ্ঞাত। ইসলামেরও কিছু মৌলিক বিশ্বাস রয়েছে, তার মধ্যে সমস্ত নবীদের উপর বিশ্বাস একটি। (সূরা বাকারা, ৮৫)
সমস্ত নবীদেরকে বিশ্বাস করা, সম্মান করা ঈমানের মৌলিক বিষয়।
কাদিয়ানী সম্প্রদায় মির্যার মত একজন বদকার, কুবংশীয় লোককে হযরত ঈসা (আ.)-র মত মর্যাদাবান নবীর মর্যাদায় অধিষ্ঠিত করে চরম বেয়াদবী এবং তাঁর শানে লজ্জাজনক তাচ্ছিল্য প্রদর্শন করেছে।
সুতরাং যারা মির্যা কাদিয়ানীকে ঈসা বলে আখ্যায়িত করবে সেও কাফের বলে বিবেচিত হবে। (ফতহুল বারী ৩২১/১)
হযরত ঈসা.কে অপমান করার প্রচুর নজির রয়েছে, তা থেকে একটি পেশ করছি।
“খোদা এই উম্মতের মধ্য হতে মসীহে মওঊদ প্রেরণ করেছেন, যিনি পূর্বের মসীহ থেকে স্বীয় সকল মর্যাদার দিক দিয়ে অগ্রসরমান।
আর তিনি ঐ দ্বিতীয় মাসীহের নাম রেখেছেন গোলাম আহমদ”
— দাফেউল বালা পৃ. ১৩, রুহানী খাযায়েন, খণ্ড ১৮, পৃ.২৩৩
আহমদিয়া মুসলিম জামাতের বন্ধুরা, আপনারাও নিশ্চয়ই বিশ্বাস করেন আপনাদের মির্যা মরয়মপুত্র হযরত ঈসা আ. থেকেও শ্রেষ্ঠ?
তবে জেনে রাখুন আপনারাও কাফের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *